মেনু নির্বাচন করুন

প্রখ্যাত ব্যাক্তিত্ব

আতাউর রহমান খানঃ ১৯১৮-১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দ্র। গ্রাম- দিঘলকান্দি। পিতা- আব্দুল করিম খান। অকাল মৃত্যুর কারণে তার কাব্য সম্পাদনার সময় ছিল খুব স্বল্প। তার প্রকাশিত গ্রন্থ-উষসী, জিন্দেগী, সুরের সমাধি, ছন্দপতন, মরণকীট, এপীঠ ওপীড, খোশ আহদেদ।

আব্দুল করিম খানঃ জন্ম ১৯৯৯ বঙ্গাব্দ। গ্রাম- দিঘলকান্দি। ঐতিহাসিক ও গবেষক। পেশায় তিনি উকিল ছিলেন। কিন্তু ইতিহাস ছিল তার প্রিয় বিষয়। তথ্য সমৃদ্ধ গবেষনামূলক ইতিহাস গ্রন্থ ‘‘তরফ গৌরাঙ্গীর ইতিহাস’’ তার উলেস্নখযোগ্য কর্ম। তার আরও কয়েকটি অপ্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- দিলস্নী আগ্রা আজমীর ভ্রমন কাহিনী, বঙ্গের মুসলমান আউলিয়াগনের কাহিনী, মধ্যে ও দÿÿন টাঙ্গাইলের প্রাচীন মুসলমান বংশ পরিচয়, টাঙ্গাইলের মুসলমান জমিদারগনের বংশ বিবরনী ইত্যাদি।

দিলারা হাফিজঃ জন্ম-১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ। গ্রাম- ঘূনী। শিÿা- বাংলায় এম.এ। পেশা- অধ্যানপা। প্রকাশিত বই- ভালবাসার কবিতা, পিতা-পুত্র অথবা প্রেমিক।

বুলবুল খান মাহবুবঃ জন্ম- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ। গ্রাম- দিঘলকান্দি। পিতা- আবদুল করিম খান। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এম.এ। রাজনীতিবিদ, কবি ও সম্পাদক। স্যাড জেনারেশনের নেপথ্য নায়ক। প্রকাশিত বই- রক্তের কারম্নকাজ, জখমী সাথীকে নিয়ে আমরা দশ জন, পূর্ব দিগমেত্ম সূর্যোদয়, প্রতিবাদী কবিতা, চোখের বদলে চোখ।

সাইয়িদ আতিকুলস্নাহঃ জন্ম- ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দ। গ্রাম- আঠারদানা। শিÿা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্টবিজ্ঞানে এম.এ। বিশিষ্ট ব্যাংকার। ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, জনতা ব্যাংক। পরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হন।কবিতা ও গল্প লেখক। গল্পে বাংলা একাডেমীর পুরস্কার (১৯৭৪), কবিতায় সুফি মোতাহার হোসেন পুরস্কার, হাসান হাফিজুর রহমান স্বর্ণপদক, পদাবলী পুরস্কার এবং ময়মনসিংহ আবুল মনসুর আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার পান। তার প্রকাশিত বই- বুধবার রাতে, আমাকে ছাড়া অনেক কিছু, অদৃশ্য পথিকের গান, আধির যতো শত্রম্ন মিত্র, এই যে তুমুল বৃষ্টি, সবখানেই চড়া রোদ, সরল চাদের খেলা, সে পড়েন হ্রদ ও অন্যান্য, খায়রিল আনোয়ারের শেষ কবিতা, শাসন নেই ধমক নেই, রোজ তোমাকে বেরম্নতে হয়, যদি কিছু পাই, একই টেবিলে দশ জন।